Loading...

Monday, 27 April 2020

করোনাতে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন গর্ভবতীরা। বিশদে জানাচ্ছেন বিশিষ্ট গাইনি


এ যেন এক অসম লড়াই। চারপাশে যুদ্ধকালীন তৎপরতা। একটু অসাবধানতা। আর তাতেই মানব শরীরে অনায়াসে থাবা বসাতে পারে করোনা। 
এই নভেল করোনা ভাইরাসের জেরেই এখন থমকে গিয়েছে আমাদের জীবন। ছন্দপতন ঘটেছে আমাদের রোজকার চেনা জীবন যাত্রাতেও। আর এমন অবস্থায় গর্ভবতী যারা তাদের উদ্বিগ্ন হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কতখানি ঝুঁকি রয়েছে। কি ভাবেই বা নিজেকে সুস্থ রাখবেন এই সময় তা নিয়ে বং জার্নালকে বিশদে জানালেন  ‌মৃগাঙ্ক মৌলি সাহা (Obstetrics and Gynaecology)

এই করোনা ভাইরাস থেকে একজন সাধারণ মানুষের যতটুকু থাকে, একজন গর্ভবতী মহিলারও ঠিক ততটুকুই ঝুঁকি থাকে। তবে দেখা গিয়েছে মা যদি আক্রান্ত হয়েও থাকেন তবে তা থেকে সদ্যোজাতোদের শরীরে প্রবেশ করতে পারেনি এই নভেল করোনা। বা এর দ্বারা কোনো গর্ভপাতের নজির এখনো পর্যন্ত মেলেনি।
তবে কথাতে আছে precaution is better than cure, তাই হবু মায়েরা যদি আগে থেকেই নিজেদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনে তাহলে সংক্রমণ রোধ সম্ভব হবে। যেমন খাওয়া দাওয়া। প্রচুর পরিমানে শাক সবজি খেতে হবে। আন্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে যা এই ধরণের রোগ ঠেকাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন সি রয়েছে এমন ফল খান। প্রয়োজনে ভিটামিন সি ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে।এছাড়াও ঘন ঘন জল খান। অর্থাৎ হবু মায়েদের প্রথম কাজটি হল নিজের সুস্বাস্থ্যের রক্ষণাবেক্ষণ করা। তার প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্যকর খাওয়া। সামাজিক দূরত্ব অনুশীলন করা। 
সামান্য সর্দি কাশি হলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে এতে ভয়ে পাবার কিছু নেই। করনাতে আক্রান্ত হলেও দেখা গিয়েছে যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত সেরে উঠেছে।  খেয়াল রাখতে হবে সর্দি কাশিতে কোনো শ্বাস কষ্ট হচ্ছে কিনা। চিকিৎসকের পরামর্শ মানুন। তেমন বুঝলে আগেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যেতে হবে।
তবে মা কোনোভাবে আক্রান্ত হলে ডেলিভারির সময় কিছু জটিলতা আসতেই পারে। তাই আগে থেকেই চিকিৎসক কে জানিয়ে রাখুন। সে ক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা নিতে হতে পারে। এম্বুলেন্স ও হাসপাতাল কতৃপক্ষকেও জানিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে বিশেষ প্রটেক্টিভ কিট ব্যাবহার করতে হবে। 

কি ভাবে সুরক্ষিত রাখবেন সদ্যোজাতদের

শিশুকে ধরার আগে বা তার ব্যাবহারের যে কোনো জিনিস ধরার আগে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুন। 

সদ্যোজাতর সামনে কাশি বা হাঁচি এড়িয়ে চলুন।

প্রতিবার ব্যাবহারের পর শিশুর দুধের বোতল ও ব্রেস্ট পাম্প ভালো করে পরিষ্কার করে নেবেন।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় বা সামনে থাকার সময় অতি অবশ্যই মাস্ক ব্যাবহার করুন।




No comments:

Post a comment

Thanks for your comment.

Sponsored AD Space

Sponsored AD Space
See Your AD Here